পজিটিভ প্যারেন্টিং কী, যা জানা দরকার
অনেক বাবা-মা আবার পজিটিভ প্যারেন্টিং করতে চান। তবে ব্যাপারটা এমন নয় যে, এটা নিজে নিজে হয়ে যায়। বরং এজন্য কিছু নিয়ম মানতে হয় এবং শেখা ও অভ্যাসের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়।সব বাবা-মায়েরা চান, তাদের সন্তান আদর্শ মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে। এজন্য তারা নানা উপায় মেনে চলেন। অনেক বাবা-মা আবার পজিটিভ প্যারেন্টিং করতে চান। তবে ব্যাপারটা এমন নয় যে, এটা নিজে নিজে হয়ে যায়। বরং এজন্য কিছু নিয়ম মানতে হয় এবং শেখা ও অভ্যাসের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়।পজিটিভ প্যারেন্টিং সলিউশনসের প্রতিষ্ঠাতা এবং “দ্য ‘মি, মি, মি’ এপিডেমিক” বইয়ের লেখক অ্যামি ম্যাকক্রেডি বলেন, শিশুর পৃথিবীকে সুন্দর করতে পজিটিভ প্যারেন্টিং শুরু করা দরকারি। কিন্তু বেশিরভাগ অভিভাবক সমস্যায় পড়ার পর এই পথে আসেন। তার ভাষ্য, রেস্টুরেন্টে চাকরির জন্য মানুষ ‘চিকেন স্যান্ডউইচ বানাতে’ অনেক প্রশিক্ষণ নেয়। কিন্তু বাবা-মা হওয়ার পর সন্তানকে লালনপালনের জন্য তেমন কোনো প্রশিক্ষণ নেয় না। এ কারণে বেশিরভাগ বাবা-মা সন্তানের সমস্যায় নিজেদের মতো করে প্রতিক্রিয়া দেখান। যা অনেক সময় শিশুর সমস্যা সমাধানে খুব একটা কাজে লাগে না। তিনি বলেন, পজিটিভ প্যারেন্টিং কোনো ট্রেন্ড নয়। এট...