যাতায়াতে নতুন দিগন্ত: আসছে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু


​নাগরিক বার্তা: ঢাকার সাথে দেশের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ করতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ২০৩২ সালের মধ্যে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া প্রান্তে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
​কেন এই উদ্যোগ? বর্তমান সেতুগুলোতে ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ ও যানজট কমানোই এর মূল লক্ষ্য।
​সুবিধা: দ্বিতীয় পদ্মা সেতু চালু হলে বেনাপোল ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন দ্রুত হবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় যমুনা সেতু উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর সাথে রাজধানীর দূরত্ব কমিয়ে আনবে।
​বর্তমান অবস্থা: সেতু দুটির অবস্থান ও ব্যয় নির্ধারণে বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে।ডিজিটাল বাংলাদেশের নতুন ধাপ: ২০২৬-এ স্মার্ট ইকোনমি
​অর্থনৈতিক ডেস্ক: ২০২৬ সালকে ধরা হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, দেশের মোট লেনদেনের ৫০ শতাংশ ডিজিটাল করার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
​নাগরিক সুবিধা: এখন থেকে ক্ষুদ্র বিক্রেতা থেকে শুরু করে বড় শপিং মল—সবখানেই কিউআর (QR) কোড ও ডিজিটাল পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করার পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
​প্রভাব: এতে নগদ টাকার ব্যবহার কমবে এবং লেনদেনে স্বচ্ছতা আসবে। গ্রামের সাধারণ মানুষও স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরকারি ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সরাসরি ভোগ করতে পারছেন।

Popular posts from this blog

চোখের জলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার

বিদেশি ঋণ ছাড়াল ১১৩ বিলিয়ন ডলার

হারতে বসলে ইসরাইলের পক্ষে আমরা যুদ্ধে নামবো: উগান্ডার সেনাপ্রধান